১৫ বছরের চেষ্টা সফল, ইরান উড়াল কার্গো বিমান

‘সিমোর্গ’ কার্গো বিমান
ফন্ট সাইজ:
0Shares
Post Views: 5

এক যুগের বেশি সময়ের চেষ্টায় সফল হয়েছে ইরান। সফলভাবে  ‘সিমোর্গ’ নামের কার্গো বিমানের পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন করেছে দেশটি। ইরান আশা করছে, খুব দ্রুত বিমানগুলো পণ্য পরিবহণ বহরে যোগ দেবে।

খবর মেহের নিউজের।

দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (সিএএ) প্রধান হোসেইন পুরফারজানেহ মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) জানান, সিমোর্গ তৈরির ‘দেশীয়করণ প্রক্রিয়া’ প্রায় ১৫ বছর ধরে চলছিল। ইরান এখন বিশ্বের ২০টিরও কম সেই দেশগুলোর মধ্যে একটি, যারা নিজস্ব নকশায় বিমান তৈরি করতে সক্ষম।

দ্রুত, হালকা ও চটপটে বিমান হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে সিমোর্গকে। যার উচ্চ পণ্যবহন ক্ষমতা এবং ইরানের আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নকশা রয়েছে। এজন্য এটি জরুরি চিকিৎসা পরিবহনসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবার জন্য আদর্শ বলে মনে করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষের মতে, বিমানটি ইরানের স্থল ও নৌবাহিনীর পরিবহন সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে। যাতে তারা সহজে দেশের বিভিন্ন ঘাঁটির মধ্যে সেনা বা সরঞ্জাম পরিবহন করতে পারে। তারা যাত্রী পরিবহনেও বিমানটি ব্যবহার করতে চায়।

মঙ্গলবার মধ্য ইরানের শাহিন শহর এলাকার একটি বিমানঘাঁটি থেকে সিমোর্গ-এর পরীক্ষামূলক উড়ান শুরু হয়। এই অনুষ্ঠানে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

সিএএ জানিয়েছে, বিমানটিকে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ১০০ ঘণ্টা পরীক্ষামূলক উড়ান সম্পন্ন করতে হবে। যাতে এটি ইরানের বিমানবহরে যোগ দেওয়ার চূড়ান্ত অনুমতি পায়। বিমানটি প্রথম দ্রুত ট্যাক্সি টেস্ট সম্পন্ন করে মে ২০২২ সালে। এবার চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।

সিমোর্গ নামটি ফারসি পুরাণ ও সাহিত্যের এক পৌরাণিক পাখি সিমোর্গ-এর নামে রাখা হয়েছে। এতে রয়েছে দুটি ২,৫০০ হর্সপাওয়ার ইঞ্জিন। এটি ৬ মেট্রিক টন পণ্য ৩,৯০০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত বহন করতে পারে। এর সর্বোচ্চ টেকঅফ ওজন ২১.৫ মেট্রিক টন।

তুরস্কের নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সফল

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।